জরায়ু টিউমারের লক্ষণ - জরায়ু টিউমার অপারেশন খরচ কত বাংলাদেশে
জরায়ুতে টিউমার হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। জরায়ু ফাইব্রয়েড
একটি প্রচলিত নন ক্যান্সার টিউমার যা জরায়ুতে বিকশিত হয় এবং মহিলা প্রজনন
ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ অংশ। তাই জরায়ু টিউমারের লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই
ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কিভাবে আপনি বুঝতে পারবেন জরায়ু টিউমারের লক্ষণগুলো
সেই সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো।
জরায়ু টিউমারের লক্ষণ গুলো যদি আপনার শরীরে দেখা দেয় তবে অবশ্যই নিকটস্থ
মেডিকেলে গিয়ে চেকআপ করাতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে
চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। জরায়ুতে টিউমার যদি বড় হয়ে যায় তাহলে অপারেশনের
ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তাই আপনাকে পূর্ব থেকে জেনে রাখতে
হবে জরায়ু টিউমারের লক্ষণ কোনগুলো।
সূচিপত্রঃ জরায়ু টিউমার চেনার উপায় গুলো জেনে রাখুন
- জরায়ু টিউমার
- জরায়ুর টিউমারের লক্ষণ
- জরায়ু টিউমার চেনার উপায়
- জরায়ু টিউমার চিকিৎসার ঘরোয়া উপায়
- জরায়ু টিউমারের চিকিৎসা
- জরায়ু টিউমার অপারেশনের খরচ বাংলাদেশ
- জরায়ু টিউমার প্রতিরোধের উপায়
- জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয়
- জরায়ু টিউমারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
- জরায়ু টিউমারের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
- জরায়ু টিউমার চেনার উপায় - শেষ কথা
জরায়ু টিউমার
জরায়ুর প্রাচীরের মসৃণ প্রাচীরের অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে
ফ্রাইবয়েড বা টিউমার সৃষ্টি হয়। ইস্ট্রোজেনের মাত্রার তারতম্যের জন্য এ
ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়। মহিলাদের শরীরের ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বৃদ্ধি
পাওয়ার সাথে সাথে এর আকার ও বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে গর্ভকালীন সময়ে
মহিলাদের শরীরে হরমোনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। আবার শরীরে হরমোনের
মাত্রা কমে গেলে জরায়ু টিউমার সংকুচিত হয়ে ছোট হয়ে যায়। বিশেষ করে
মহিলাদের মনোপজের পর এ রোগের সম্ভাবনা একদমই থাকে না বললেই চলে। এটিকে
বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বর্তমান সময়ে মহিলাদের মধ্যে জরায়ু টিউমারের প্রবণতা অনেক গুণ বেড়ে
গিয়েছে। তবে এতে চিন্তা আর কোন কারণ নেই। চিকিৎসা স্বাস্থের অগ্রগতির ফলে
এখন নারী গঠিত নানারকম রোগের চিকিৎসাও রয়েছে। তবে রোগ কেনা সহজ হলে চিকিৎসা
ও সহজ হয়। এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমেই বুঝতে হবে আপনার জরায়ুতে টিউমার হয়েছে
কিনা।
জরায়ুর টিউমারের লক্ষণ
জরায়ুতে টিউমার যদি হয় তাহলে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন আপনার শরীরে আসতে পারে।
আপনার শরীরে যদি নিচের লক্ষণগুলো দেখা দেয় তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে
চিকিৎসা শুরু করে দিবেন। কেননা জরায়ুর টিউমার যদি বেশিদিন থাকে তাহলে
ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে। জরায়ুর টিউমারের লক্ষণ গুলো হলঃ
অনিয়মিত মাসিক
যাদের অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা রয়েছে। সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর
মাসিক শুরুর তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা, তবে যাদের জরায়ুতে
টিউমার রয়েছে তাদের অধিক দিন যাবত এ সমস্যা থাকে। অনেক ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫
দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এছাড়াও পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত পরিমাণ রক্তপাত।
এছাড়াও এক মাসে দুই থেকে তিনবার পিরিয়ড দেখা দেওয়া।
গর্ভপাত বা বন্ধ্যাত্ব
জরায়ুর প্রাচীরে টিউমার সৃষ্টি হওয়ার ফলে তা ফেলোপিয়ান টিউবকে সংকীর্ণ বা
বন্ধ করে দেয় যার ফলে গর্ভধারণ করা সম্ভব হয় না।
আরো পড়ুনঃ হার্ট অ্যাটাক - হার্ট অ্যাটাক এর লক্ষন
জরায়ু টিউমারের আরো কিছু লক্ষণ রয়েছে। জরায়ুতে টিউমার যদি হয়ে থাকে তাহলে
নিচের লক্ষণ গুলো আপনার শরীরে দেখা দিতে পারে। জরায়ু টিউমারের লক্ষণ
গুলোঃ
- তলপেট ফুলে যাওয়া
- কোমর ব্যথা
- ঘন ঘন প্রসাব
- তলপেটে
- অতিরিক্ত পরিমাণ রাজস্রাব।
- সহবাস কালীন ব্যথা।ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। আবার কখনো কখনো কোন লক্ষণ ছাড়াই টিউমার প্রকাশ পায়।
জরায়ু টিউমার চেনার উপায়
জরায়ু টিউমার চেনার উপায় সম্পর্কে আপনি জানতে পারবেন এই পর্বের মাধ্যমে।
জরায়ুতে টিউমার হলে সেটা চেনার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। আপনার শরীরে যদি কিছু
পরিবর্তন এবং নিচের লক্ষণ গুলো দেখা দেয় তাহলে বুঝবেন আপনার জরায়ুতে টিউমার
হতে পারে। জরায়ু টিউমার চেনার উপায় গুলো হলঃ-
- তলপেটে ব্যথা
- দীর্ঘদিন যাবত পিরিয়ড চলা
- অতিরিক্ত পরিমাণ রজস্রাব
- অনিয়মিত পিরিয়ড
- গর্ভধারণে বাধা। ইত্যাদি।
জরায়ু টিউমার চিকিৎসার ঘরোয়া উপায়
জরায়ুতে টিউমারের বয়স যদি বেশিদিন হয়ে থাকে তাহলে ঘরোয়া উপায়ে আপনি টিউমার
ভালো করতে পারবেন না। তবে টিউমারের বয়স যদি কম হয় এবং সবেমাত্র টিউমার এর
লক্ষণ গুলো দেখা দিয়েছে এমন যদি হয়ে থাকে তাহলে জরায়ু টিউমার চিকিৎসার
ঘরোয়া উপায় এর মাধ্যমে কিছুটা স্বাভাবিক করতে পারবেন তবে সম্পূর্ণ ভালো করা
যাবে না।
আরো পড়ুনঃ মানসিক রোগ - মানসিক রোগের লক্ষণসমূহ
জরায়ু টিউমার চিকিৎসায় ঘরোয়া কোন উপায় নেই। তবে তলপেটে ব্যথা কমানোর জন্য
হালকা গরম পানির চেক দিতে পারেন কিংবা পিরিয়ড বন্ধ করার জন্য পেঁপে বা লেবু
জাতীয় খাবার খেতে পারেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা
গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসক টিউমারের ধরন ও প্রকৃতি অনুযায়ী ঔষধ কিংবা
অস্ত্রপাচার এর পরামর্শ দিতে পারেন সে অনুযায়ী পরামর্শ গ্রহণ করুন।
জরায়ু টিউমারের চিকিৎসা
জরায়ু টিউমারের চিকিৎসা আপনি দুই ভাবে করতে পারবেন। প্রথমত হল অস্ত্রপাচারের
মাধ্যমে আপনি জরায়ুর টিউমারের চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারবেন এবং আরেকটি হলো
অপারেশনের মাধ্যমে জরায়ু টিউমার কেটে আপনি চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারবেন। তবে
জরায়ু টিউমারের চিকিৎসা গ্রহণ করার পূর্বে ডাক্তার এর চিকিৎসা গ্রহণ এবং
মতামত নিয়ে চিকিৎসা শুরু করায় ভালো। জরায়ু টিউমার চিকিৎসার মূলত
অস্ত্রপাচার বা অপারেশন।
ঔষধের মাধ্যমে এর কোন স্থায়ী সমাধান নেই। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
টিউমারের ধরন ও প্রকৃতি অনুযায়ী চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। দুই ধরনের অস্ত্রপাচার
এর মাধ্যমে জরায়ু টিউমার নির্মূল করা যায়।১। সম্পূর্ণ জরায়ু কেটে ফেলা ও
২। জরায়ুর প্রাচীর থেকে টিউমার কেটে ফেলা। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, সম্পূর্ণ
জরায়ু কেটে ফেলা হয়। কারণ অপারেশনের পর গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে
যায়।
জরায়ু টিউমার অপারেশন খরচ কত বাংলাদেশে
জরায়ু টিউমার অপারেশন খরচ কত বাংলাদেশে এ বিভিন্ন মেডিকেলে বিভিন্ন খরচ
হতে পারে। তবে অপারেশনের খরচ ডাক্তারের ওপরও নির্ভর করে। আবার আপনি কোন ধরনের
অপারেশন করতে চাচ্ছেন সেই সকল কিছুর উপরে জরায়ু টিউমার অপারেশনের খরচ
নির্ভর করবে। জরায় টিউমার অপারেশন করে হিস্টোর রেক্টোমির বলা হয়। এর
বিভিন্ন পোকার রয়েছে।
অপারেশনের খরচ সামগ্রিকভাবে নির্ভর করে অপারেশনের জটিলতা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের
দক্ষতা ও যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং খ্যাতির ওপর। উচ্চতর দক্ষতা এবং সাফল্যের
অধিকারী স্ত্রীলোক বিশেষজ্ঞ ডক্টর গণ উচ্চ ফ্রি নিয়ে থাকেন। এর সঙ্গে
হসপিটালের ফ্রি এবং ঔষধের যাবতীয় খরচ বহন করতে হয়। বাংলাদেশে ভালো ক্লিনিকে
জরায়ু টিউমার অপারেশনের খরচ ৩০ হাজার থেকে 70 হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
জরায়ু টিউমার প্রতিরোধের উপায়
জরায়ু টিউমার প্রতিরোধের উপায় রয়েছে। শুধু আপনাকে জানতে হবে সঠিক পদক্ষেপ
গুলো। বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে আপনি জরায়ুর টিউমার প্রতিরোধ করতে পারেন।
এই পর্বের মাধ্যমে আজকে আমরা জানবো জরায়ু টিউমার প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে
বিস্তারিত। টিউমার হল শরীরের কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলাফল। এর কোন
প্রতিরোধ করার উপায় নেই। তবে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন এবং পুষ্টিকর
খাদ্যাভ্যাস এ থেকে অনেকটাই নিরাময় দিতে পারে।টিউমার সমস্যা থেকে বাঁচতে বা
টিউমার হয়েছে এ থেকে দ্রুত সারিয়ে তুলতে অবশ্যই আপনাকে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার
গ্রহণ করতে হবে। এছাড়াও যে খাবারগুলো খেতে পারেন এগুলো হল-
- দুধ ও দুধে জাতীয় খাবার
- কাঁচা হলুদ
- সবুজ শাকসবজি এবং রঙিন ফলমূল
- মাশরুম ও
- মাছ
জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয়
জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয় কিছু কাজ থাকে। যেগুলো আপনি যদি সঠিকভাবে
না করে থাকেন তাহলে অপারেশন স্থানে পরবর্তীতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আগে
থেকেই জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয় গুলো জেনে রাখতে হবে। জরায়ু টিউমার
অপারেশনের পর যে সমস্ত নির্দেশনা গুলি মেনে চলতে হবে এগুলো হলো-
- অপারেশনের এক থেকে দুই দিনের মধ্যে ক্যাটারার ও আইভী খুলে দেওয়া হবে।
- অস্ত্রোপচারের তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থাকতে হয়।
- পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।
- দুই মাসের মধ্যে ভারি কোন কাজ বা ভারী জিনিস তোলা যাবে না। এতে পেটের পেশি সমূহ ছিড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- ব্যথা উপশমে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ গ্রহণ করুন
- কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন
- যদি ডিম্বাশয় অপসারণ করা হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে গর্ভধারণের সম্ভাবনা একেবারেই নেই বললেই চলে।
- অস্ত্রপাচারের কিছুদিনের মধ্যে আপনার মন পথ শুরু হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে ডাক্তার আপনাকে হরমোন থেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দিতে পারে।
জরায়ু টিউমারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
জরায়ু টিউমারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা মাধ্যমে ভালো করা সম্ভব। যেকোনো
হোমিওপ্যাথিক একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী জরায়ু টিউমারের ওষুধ
এর মাধ্যমে জরায়ুর টিউমার ভালো করতে পারেন। তবে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ
হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে। জরায়ু টিউমারের হোমিওপ্যাথিক
চিকিৎসা নেওয়ার পূর্বে একজন হোমিও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কে দেখাতে পারেন।
বর্তমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা খুবই জনপ্রিয় এবং বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেছে।
কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের মাধ্যমে
বর্তমানে জরায়ু টিউমার থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব হয়েছে। আপনি যদি নিশ্চিত
হয়ে থাকেন যে আপনি জরায়ু টিউমারে আক্রান্ত তবে চিন্তিত না হয়ে যত দ্রুত
সম্ভব যাবতীয় রিপোর্ট নিয়ে হোমিও চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং চিকিৎসা
গ্রহণ করুন।
জরায়ু টিউমারের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
জরায়ু টিউমারের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ এর নাম এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে নিচে আমরা
আলোচনা করব। জরায়ু টিউমারের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন করার আগে অবশ্যই একজন
হোমিওপ্যাথিক বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে উক্ত ওষুধ গুলো সেবন
করবেন। জরায়ু টিউমারের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ গুলো হলোঃ-
ক্যালকেরিয়া ফ্লোর
এ জাতীয় ঔষধ শক্ত ধরনের টিউমারের জন্য বেশ উপযোগী। আপনার টিউমারের ধরন যদি
শক্ত হয়ে থাকে তবে ক্যালকেরিয়া ফ্লোর ঔষধ আপনার জন্যই।
গ্রাফাইটিস
জরায়ুর প্রাচীরে ফুলকপির ন্যায় টিউমার সৃষ্টি হয়। এছাড়াও যোনিতে প্রসব
বেদনার ন্যায় ব্যথা থেকে উপশম দিতে গ্রাফাইটিস অত্যন্ত ও কার্যকরী।
থুজা
ফুলকপির ন্যায় টিউমার, সহবাস কালীন বেদনা, আঁচিল ও প্রসবের রাস্তায় চুলকানি
ইত্যাদি চিকিৎসায় এটি খুব উপকারী একটি ঔষধ।
নাইট্রিক অ্যাসিড
ছোট ছোট বালির ন্যায় টিউমার, জননাঙ্গের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি,
দুর্গন্ধযুক্ত প্রসব, হলদে রংয়ের প্রদর স্রাব ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত
হয়।
ক্যালকেরিয়া আয়োড
এটি প্রায় সব ধরনের টিউমার প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও দীর্ঘস্থায়ী
ঋতুশ্রাব, শ্বেতপদর এবং লালা সমৃদ্ধ ঋতুস্রাব ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
সিকোলি কর
টিউমারের সাথে স্থায়ী পিরিয়ড, পেটে অতিরিক্ত পরিমাণ ব্যথা, দুর্গন্ধযুক্ত
মাসিক স্রাব ও ময়লাযুক্ত প্রদর স্রাব ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।
জরায়ু টিউমার চেনার উপায় - শেষ কথা
উপরের আলোচনা পড়ে এতক্ষণ নিশ্চয়ই আপনি জরায়ুর টিউমার এবং জরায়ুর টিউমারের
লক্ষণ ও বাংলাদেশের জরায়ু টিউমারের অপারেশন করতে কত টাকা খরচ হয় জানতে
পেরেছেন। জরায়ুতে টিউমার সম্পর্কে আপনার যদি কোন মন্তব্য থাকে তবে আমাদের
কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর আমরা কমেন্টের রিপ্লাই করে
জানাবো। এই পর্বে যদি আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের মাঝে এই
পর্বটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিবেন।